১.
গোসলঘর শুকনো বালি-বালি
পাথরের মাস শেষ হয়
তরুখাদক মন, তলপেট ঘেঁষে
অল্প হেঁটে দখল নিচ্ছে
মাংসগলা রাজপথ
ঋতু ছিলো না কখনো
ঋতু শেষ হয়নি কখনো
তরল ভেঙে বিনির্মাণ হয়
শরীরের সেতু, এখনো অহেতু
তরুখাদক মন, তলপেট ঘেঁষে
জাগিয়ে রেখেছে
পাক্ষিক প্রতিরোধ

২.
রাস্তার ভাষা শুনি, ফুটপাত চিনি কম
এক স্তন্যপায়ী স্কার্ট টেনে অসম্ভব
প্লাবিত করেছে জন্মকাঠি
ভেতরে নড়ছে মাংসল পাদু’টো
নড়ছে মাছি, ছারপোকা
রাস্তার ভাষা শুনি, ফুটপাত চিনি কম
গ্রহ অন্ধকার ধারণ করেছে
ছায়াপথ গাণিতিক গতিবেগ
বুক নেমেছে সেপ্টেম্বরের মুখে
জন্মকাঠি, রুপারকাঠি,
অতলে দানব হয়ে হয়ে

৩.
শরীরের নিচে জন্ম নেয়
আরেক পিচ্ছিল শরীর
সরীসৃপ মন শিকারে নেমে
পুরোনো গাছে শেকড় বদলায়

শহর তখনও জেগে,
অর্ধেক চাঁদ, অর্ধেক টান
নদীমুখ ফাটলে
অনাগত ঋতুর হাড় খুঁজি

একবার শরীর খুলে দিলে
সব দরজায় একইসুরের
বেল বাজে
অসংখ্য বার
অসংখ্য ক্ষুধায়

৪.
মন জানে না
শরীরের ক্যালেন্ডার
ঘামের গন্ধ
ফিরে আসা চাঁদের
খবর

মন বদলেছে
আদমের ইতিহাসও
শরীর তার পুরোনো
ভাষা ছাড়েনি
একটুও

নিজের ভেতরেই
বিপরীত দরজা খুলে
পুরোনো ক্ষুধা
ঋতুর ব্যবধানে
টানছে

৫.
কে কার ভেতর
শেষ শব্দটি রেখে যাব

দুটো শরীরে
দুটো ঘড়ি চলে

দুটো শরীর
একটি টান
দুটো ক্ষুধা
একটি গণিত